দীর্ঘ এক দশকের প্রস্তুতি, অবকাঠামো নির্মাণ ও কারিগরি সক্ষমতা অর্জনের পর আজ আনুষ্ঠানিকভাবে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে জ্বালানি ইউরেনিয়াম লোডিং কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ইউরেনিয়াম লোডিংকে ঘিরে প্রকল্প এলাকা ও আশপাশে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ও রাশিয়ার উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা ইতোমধ্যে রূপপুরে পৌঁছেছেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের উপদেষ্টা, সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং রোসাটমের মহাপরিচালকসহ শীর্ষ প্রতিনিধিদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, জ্বালানি লোডিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে প্রায় ৩০ থেকে ৪৫ দিন সময় লাগতে পারে। এরপর বিভিন্ন ধাপে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও নিরাপত্তা যাচাই শেষে সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে জুলাইয়ের শেষ বা আগস্টের শুরুতে প্রথম ইউনিট থেকে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে। পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন শুরু হলে প্রথম ইউনিট থেকে ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।
রূপপুর প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় নির্মিত এ বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত হয়েছে আধুনিক ভিভিইআর-১২০০ প্রযুক্তির দুটি রিয়্যাক্টর। দুটি ইউনিট পুরোপুরি চালু হলে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে, যা দেশের বিদ্যুৎ চাহিদার উল্লেখযোগ্য অংশ পূরণে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রূপপুরে ইউরেনিয়াম লোডিং শুধু একটি প্রযুক্তিগত ধাপ নয়, এটি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, বহুমুখী বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং স্বল্প-কার্বন ভবিষ্যতের পথে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক।
পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে জ্বালানি ইউরেনিয়াম লোডিং কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ইউরেনিয়াম লোডিংকে ঘিরে প্রকল্প এলাকা ও আশপাশে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ও রাশিয়ার উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা ইতোমধ্যে রূপপুরে পৌঁছেছেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের উপদেষ্টা, সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং রোসাটমের মহাপরিচালকসহ শীর্ষ প্রতিনিধিদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, জ্বালানি লোডিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে প্রায় ৩০ থেকে ৪৫ দিন সময় লাগতে পারে। এরপর বিভিন্ন ধাপে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও নিরাপত্তা যাচাই শেষে সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে জুলাইয়ের শেষ বা আগস্টের শুরুতে প্রথম ইউনিট থেকে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে। পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন শুরু হলে প্রথম ইউনিট থেকে ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।
রূপপুর প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় নির্মিত এ বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত হয়েছে আধুনিক ভিভিইআর-১২০০ প্রযুক্তির দুটি রিয়্যাক্টর। দুটি ইউনিট পুরোপুরি চালু হলে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে, যা দেশের বিদ্যুৎ চাহিদার উল্লেখযোগ্য অংশ পূরণে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রূপপুরে ইউরেনিয়াম লোডিং শুধু একটি প্রযুক্তিগত ধাপ নয়, এটি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, বহুমুখী বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং স্বল্প-কার্বন ভবিষ্যতের পথে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক।
অনলাইন ডেস্ক